কাঁধে ব্যথার কারণ ? কাঁধে ব্যাথায় ঔষধ নাকি ফিজিওথেরাপি কোনটা করবেন।

কাঁধে অনেক কারনে ব্যাথা হতে পারে । তার মধ্যে উলেক্ষে কিছু কারন হলো

১। ঘুমানোর সময় সচেতন না থাকলে

২। হঠাৎ বেশি পরিশ্রম করার কারণে

৩। কাঁদে ভারী কোনো জিনিস বহন করলে

৪।

সাধারণত এ ধরনের কিছু কর্মকাণ্ডের জন্য কাঁধে ব্যথা হয়ে থাকে তাছাড়া আপনার আরো অনেক কারণে কাঁধে ব্যথা হতে পারে তবে এজন্য আপনি ওষুধ খাবেন নাকি ফিজিওথেরাপি নিবেন এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করব। আমরা সাধারণত যে কোনো ব্যথা জন্য ওষুধ খেয়ে থাকি বা বিভিন্ন ধরনের পেইনকিলার খেয়ে থাকি। এই পেইনকিলার খাওয়ার পর ব্যাথাটা সাময়িক সময়ের জন্য কম থাকে তবে পরবর্তীতে আবার যদি ওষুধ খাওয়া না হয় তাহলে আবার ব্যথা হয়। আপনি পেইন কিলার এর মাধ্যমেই শুধু ব্যথাটাকে সাময়িক সময়ের জন্য কমিয়ে রাখতে পারছেন আপনি যদি চান যে ব্যথাটা পার্মানেন্টলি চলে যাক তাহলে অবশ্যই আপনাকে ফিজিওথেরাপি নিতে হবে কেননা ফিজিওথেরাপি একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে ব্যথার জন্য উন্নত মানের থেরাপি প্রদানের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করা হয় তাছাড়া সকল প্রকার ব্যথা জনিত কারণে ফিজিওথেরাপি নেওয়া অনেক জরুরী . যেটা পেনকিলার এর মাধ্যমে আমরা সমাধান করে থাকি যেটা আসলে সমাধান হয় না পরবর্তীতে এটা আবার দেখা দেয় নানান ধরনের রোগ হিসাবে।

যেকোনো ধরনের ব্যথার জন্য পেনকিলার থেকে ফিজিওথেরাপি কেন ভালো

ধরুন আপনার কোমর ব্যথা হচ্ছে এজন্য আপনার দুইটি রাস্তা একটি হচ্ছে ওষুধ খাওয়া অন্যটি হচ্ছে ফিজিওথেরাপি । আমরা জানি ওষুধ কিভাবে কাজ করে আর ফিজিওথেরাপি কিভাবে কাজ করে,  ফিজিওথেরাপি মূলত কাজ করে ব্যথাজনিত স্থানে বিভিন্ন রকম ব্যায়াম বা লাইট থেরাপি অথবা বিভিন্ন ধরনের আধুনিক মেশিন পত্র ব্যবহার করার মাধ্যমে দেয়া হয়,  মূলত ব্যথাজনিত স্থানে থেরাপি দেওয়া হয় যে কারণে দেখা যায় ব্যাথাটা চিরতরে শেষ হয়ে যায় অন্যদিকে ওষুধ খেয়ে আমরা ব্যাথাটা কি সাময়িক সময়ের জন্য কমে রাখছি এই ক্ষেত্রে ব্যথাজনিত স্থানে পরবর্তীতে আবারও ব্যথা হতে পারে । এই ব্যথা থেকে নানান ধরনের রোগ সৃষ্টি হতে পারে । ওষুধ খাওয়ার পর যখন ব্যাথাটা কমে যায় আমরা মনে করি যে আমরা মনে হয় সুস্থ হয়ে গেছি , কিন্তু না ব্যথাজনিত জায়গায় যে ক্ষতগুলো বা আঘাত গুলো হয়ে থাকে সেগুলো কখনোই ওষুধের মাধ্যমে সারানো যায় না এজন্য দরকার হয় ফিজিওথেরাপি।

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *